বিষবাহী প্রাণের অমৃত-সন্ধানের কথা লিখতেই কালকূট একদা কলম ধরেছিলেন। তাঁর প্রথম যাত্রা ‘অমৃতকুম্ভের সন্ধানে।’ অমৃত-সন্ধানের শেষ যদি এখানেই হত, তা হলে যে-অভিজ্ঞতা তিনি অর্জন করেছিলেন তিলোত্তমা নগরী রাজধানী দিল্লিতে গিয়ে, সেই আশ্চর্য অভিজ্ঞতার কথা কোনও দিনই জানা যেত না। এ-ও এক দুর্লভ অমৃতেরই সন্ধান। যমুনার ওপরে টলমলে আকাশে ভেসে-বেড়ানো একটি মুখ— সেই মুখই অমৃতের মুখ, বিষের পাত্রে টলটলানো। কার সেই মুখ? সে-মুখ রঞ্জিতার। অগ্নীশ্বরী রূপ তার, দুরন্ত যৌবন। কিন্তু রূপই অভিশাপ। আগুনের মতো সেই রূপে পতঙ্গেরা পুড়ে মরে, কিন্তু মানুষ এই আগুন নিয়ে সুখের ঘর বাঁধতে ভয় পায়। র়ঞ্জিতাকে চেয়েছে অনেকে, কিন্তু যা ও পায়নি— তার নাম ভালবাসা। প্রবল তৃষ্ণা নিয়ে, তীব্র আকাঙ্ক্ষা নিয়ে, আকণ্ঠ বিষের পাত্রে মুখ রেখেছে যে-রঞ্জিতা রিজভি, কালকূটের নির্বাসন-যাত্রায় তার সেই বিষই কীভাবে অমৃত হয়ে দেখা দিল, তারই এক উষ্ণ উজ্জ্বল অসামান্য কাহিনি ‘অমৃত বিষের পাত্রে।’
Reviews
Clear filtersThere are no reviews yet.