দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার ইতিহাস ঐতিহ্য চর্চার ভারতের পাঁচ শতাধিক দেশীয় রাজ্যের (Princely States) হুমকি আর্থিক লেখক থেকে পাঠক সকলকেই আকৃষ্ট করেছে। পাশ্চাত্যের স্বনামধন্য অধ্যাপক ও লেখকরা এ-বিষয়ে মনোযোগী হয়ে উঠলে, এ-দেশের গবেষকরাও মনোনিবেশ করেছেন। হায়দরাবাদ, ত্রিবাঙ্কুর, মহীশুর প্রভৃতি বড় বড় দেশীয় রাজ্যের পাশাপাশি ক্ষুদ্র ও মাঝারি আয়তনের রাজ্যগুলি নিয়েও একাধিক গবেষণাগ্রন্থ প্রকাশিত। ব্রিটিশ আধিপত্যবাদ ও পরোক্ষ শাসন। দ্বারা আবদ্ধ থেকেও ঐতিহ্যশালী রাজকীয় ভারতের উজ্জ্বল উপস্থিতি সমাজ, সংস্কৃতি, রাজনীতি এক বিশিষ্টতা দান করে। যে সামন্ত ভাবধারায় পুষ্ট রাজপুরুষরা মধ্যযুগের প্রতিনিধিত্ব করতেন, তাঁরাই আবার ব্রিটিশদের সংস্পর্শে এসে পাশ্চাত্য ভাবাদর্শ ও যাপিত জীবনে সাহেবিয়ানায় অভ্যস্ত হয়ে ওঠেন। এই দেশ ও সমাজে এঁদের. প্রভাব এতটাই ছিল যে, সাতচল্লিশের পর রাজ্যপাট হারিয়েও এই গণতান্ত্রিক শাসন কাঠামোতেও তা অটুট থাকে। দেশের অতি প্রাচীন ও ঐতিহ্যমণ্ডিত রাজ্যগুলির তালিকায় বঙ্গদেশের দুটি রাজা কোচবিহার ও ত্রিপুরা সগৌরবে তাদের অস্তিত্ব ও স্বকীয়তা টিকিয়ে রেখেছিল। এই দুটি রাজাকে বিনিসুতোয় বেঁধে উন্মেষ থেকে অবসানের দীর্ঘ ও জটিল সময়কালের ওপর বাংলা ভাষায় কোনও প্রাপ্ত অর্থাবৎকাল প্রকাশিত হয়েছে বলে জানা নেই। বৃহৎ বঙ্গের সমাজ, সংস্কৃতির সম্যক অনুধাবনে এই দুটি রাজ্যের চর্চার অপরিহার্য।
Reviews
Clear filtersThere are no reviews yet.