দেড়শ বছর আগেও হিস্টিরিয়ার চিকিৎসায় মেয়েদের যোনিপথে গরম লোহার শিক ঢুকিয়ে দেওয়া হত। ডায়ারিয়ার অন্যতম চিকিৎসা ছিল, রোগীর পায়ুপথে উষ্ণ নুনজল পাম্প করা।
জলে ডুবে মৃতপ্রায় মানুষের পায়ুতে তামাকের ধোঁয়া পাম্প করবার জন্য ডাক্তাররা বিশেষ যন্ত্র ব্যবহার করতেন।
বলপূর্বক সঙ্গম, মেয়েদের অ্যানিমিয়ার স্বীকৃত চিকিৎসা ছিল।
আরো কিছু আগে পর্যন্ত মেয়েদের প্রসবযন্ত্রণা উপশমের চেষ্টা ছিল শয়তানি কাজ। শাস্তি- ডাইনি অপবাদে পুড়িয়ে মারা।
মৃগীরোগীদের চিকিৎসায়, মড়ার খুলির ওপরে জন্মানো ছত্রাক খাওয়ানো বা মৃত্যুদণ্ডে সদ্যমৃত অপরাধীর তাজা রক্ত পান করানো হত।
ডিসেন্ট্রি থেকে ডায়াবেটিস, বহু অসুখের চিকিৎসা ছিল, হাতের শিরা কেটে রক্তপাত করানো (ব্লাড লেটিং) আর কড়া জোলাপ খাইয়ে পেশেন্টকে সমানে পায়খানা করানো (পার্জিং)।
মানবজাতির লক্ষ বছরের ইতিহাসে, মাত্র গত কয়েকশ বছরের কিছু উজ্জ্বল আবিষ্কার চিকিৎসা জগতের এই ঘন অন্ধকার থেকে আমাদের উদ্ধার করেছে।
‘ বারোটি তারার আলো’ সেইসব আবিষ্কারের মধ্যে শ্রেষ্ঠতম বারোটি আবিষ্কারের অন্তরালের অজানা কাহিনী।
Reviews
Clear filtersThere are no reviews yet.