কালান্তরে যে কোনো পাঠকই একজন আবিষ্কারক। স্রষ্টার ইচ্ছানুসারী শব্দের নির্বাচন আর বাক্যের গঠনের মধ্যে যে ‘প্রত্যাশা গড়ে ওঠে তার সঙ্গে পাঠকের ‘প্রাপ্তি’র এক নি অন্তর্বয়ন চলতে থাকে। একটি ‘পাঠ’ একই সঙ্গে তার পূর্বঐতিহ্যকে যেমন বহন করে সেই সঙ্গে ভবিষ্যতের প্রস্তুতিও রচনা করে। অার ‘হৃদি ভেসে যায় অলকানন্দা জলে’ -কাল থেকে কালোত্তরে। এভাবেই প্রতিটি ‘পাঠ’-এর মাধ্যে গড়ে ওঠে নিরন্তর পুনঃপাঠের আয়োজন। এই ধারাবাহিকতাতেই অধ্যাপিকা জয়িতা দত্ত “ভারতচন্দ্রের অন্নদামঙ্গল (প্রথম খণ্ড)’-এর
সম্পাদনায় এক চিরন্তন আধুনিকতার
সন্ধান পেয়েছেন।
পলাশীযুদ্ধের পঞ্চাশ বছর আগের যিনি মুখপাত্র আর পরের পঞ্চাশ বছরের বাংলা কবিতাচর্চার যিনি আদর্শস্থাপয়িতা সেই ভারতচন্দ্রের কাব্যের নিবিড়পাঠ জয়িতা দত্ত দেখেছেন ‘দিনবদলের রুচি কেমন করে
যুগান্তের অপরাহ্ণে ইতিনেতির
দ্বান্দ্বিকতায় দুলতে থাকে। এই নিবিড়পাঠের পরিকল্পনায় আলোচক অনুভব করেছেন ভারতচন্দ্রের কবি-মনীষার তৃতীয়নয়নের রীক্ষা কীভাবে খুলে দিয়েছে শতবর্ষের ছাঁপি।
Reviews
Clear filtersThere are no reviews yet.