প্রিয়ঙ্কর চক্রবর্তীর রম্য গদ্য
বাঙালি যে আড্ডাপাগল তা-নিয়ে সন্দেহের অবকাশ নেই। সরস থেকে তাত্ত্বিক আলোচনা, গল্প থেকে গপ্পো– কী থাকে না সেই আড্ডায়! এমনকী সাহিত্যেও সেই আড্ডার মেজাজ। তবে ইদানীং যেন তা বাড়ন্ত। না বাঙালির ব্যস্ত জীবনে আড্ডা আছে জমাটি, না আছে বইয়ের পাতায়! ত্রৈলোক্যনাথের ডমরুধর, প্রেমেন্দ্র মিত্রের ঘনাদা, নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়ের টেনিদার মতো আড্ডাবাজ ও মজার চরিত্ররা হঠাৎই অদৃশ্য। বিমল করের সরস গল্পের চরিত্রগুলি, পরশুরামের কচি সংসদ বা লম্বকর্ণ পালার সদস্যদের অভাব অনুভূত হয় সবসময়ই। সেই অভাব মেটাতেই কলম তুলে নিয়েছিলেন প্রিয়ঙ্কর চক্রবর্তী। পেশায় পুলিশ অফিসার প্রিয়ঙ্করের নেশা বই পড়া। অবসর সময়ে গল্পের বইয়ের পাতায় ডুবে থাকতে পারলেই খুশি। এ-বইয়ে তিনিও তাই চেয়েছেন পাঠককে ডুবিয়ে রাখতে। ফলে, তাঁর ‘বৈঠকী’-তে আবার নতুন করে জমেছে আড্ডা। কিছুটা গল্প, কিছুটা-বা গপ্পো। খানিকটা নিছকই হাসি, অনেকটাই আমাদের সামগ্রিক জীবনেরই করুণ ছবি- লেখকের কলমে যা স্তুতি ও ব্যজস্তুতিতে বাঙ্ময়।
Reviews
Clear filtersThere are no reviews yet.