বাংলা সাহিত্যে নন্দিতা বাগচীর অনুপ্রবেশ ১৯৯৮ সালে। তার আগে দীর্ঘ চোদ্দোটি বছর আফ্রিকা মহাদেশে কাটিয়েও শুধুমাত্র পুত্র-কন্যা দুটিকে বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতিতে পারদর্শী করাতে গিয়েই সাহিত্যজগতের অঘটনঘটন-পটীয়সী হয়ে ওঠেন তিনি। বহু ছোটগল্প এবং বেশকিছু উপন্যাসের জন্ম তাঁর কলমে। তবে সারা পৃথিবীর বাঙালি পাঠকের কাছে তাঁর পরিচিতি ‘দেশ’ পত্রিকার ধারাবাহিক উপন্যাস ‘পরিযায়ী’ এবং ‘পুনর্বাসন’-এর সূত্রে। যেহেতু পৃথিবীর নানা দেশে ভ্রমণ ও বসবাস করেছেন, তাই তাঁর লেখার অন্যতম প্রিয় বিষয় ভ্রমণ। আনন্দ পাবলিশার্স থেকে প্রকাশিত ‘কলম্বাসের নতুন পৃথিবী’ এরকমই একটি পাঠকপ্রিয় গ্রন্থ। পরিযাণ তাঁকে শুধু অভি়জ্ঞতাতেই ঋদ্ধ করেনি, অফুরান প্রাণশক্তিও দিয়েছে। তাঁর লেখা হয়ে উঠেছে বৈচিত্র্যময় এবং আধুনিক। পৃথিবীর নানান দেশ ও সমকালকে তিনি অবলীলায় হাজির করেন পাঠকের চোখের সামনে। গাছপালার সঙ্গে তাঁর সখ্য আজীবন। তাই নৈসর্গিক বর্ণনা যেমন তাঁর লেখার চাবিকাঠি, তেমনি বিশ্ব-রাজনীতিও ধরা থাকে তাঁর কলমের ডগায়। তারই প্রতিফলন এই দশটি উপন্যাসের সংকলনে। ‘রংবেরঙের খেলা’, ‘পঞ্চপাণ্ডব ও যাজ্ঞসেনী’, ‘পূর্ণগ্রাস’, ‘শীতযাপন শেষে’, ‘ফাউন্টেন অফ ইউথের খোঁজে’, ‘পূর্ণচাঁদের মায়া’, ‘কলিযুগ ডট কম’, ‘বসতি’, ‘পাইন পাহাড়ের রূপকথা’, ‘মনবেড়ি’ উপন্যাসগুলিতে সময়ের ছাপ স্পষ্ট। তাই ক্রম অনুযায়ীই সাজানো রইল তাদের।
Reviews
Clear filtersThere are no reviews yet.