পাঁচদিন নিখোঁজ খোকন গাজি। এই খবর পেয়ে রঘুনাথগঞ্জের গোপন ডেরা থেকে বেরিয়ে কান্দিতে মামার বাড়িতে পৌঁছতেই সিআইডি অফিসারেরা গ্রেফতার করে ইউসুফকে নিয়ে যায় কান্দি থানাতে। ওর মামা রিয়াজ, বিরোধী দলের নেতা, লোকজন নিয়ে থানা ঘেরাও করে ইউসুফকে ছাড়িয়ে নিয়ে যায় থানা থেকে।
পরের দিন ইউসুফ ওর মা আর বোন রূকসাহানাকে নিয়ে পৌঁছে যায় নতুনগ্রাম। বাবার খবর পেয়ে বাগাছড়ায় বানভাসি দ্বারকার পাড় খুঁড়ে বার করে খোকন গাজির পচাগলা লাশ। শুরু হয় পুলিশি তদন্ত, কারণ রাজনীতিই, কিন্তু কারা খুন করে পুঁতে দিল খোকন গাজিকে? প্রতিহিংসা নাকি কারও স্বার্থে বাধা দেওয়ার প্রতিশোধ ?
খোকন গাজির প্রথম স্ত্রী রাশিদা কাশ্মীরি শালওয়ালা ফারুক আহমেদ বাটের হাত ধরে পালিয়ে গিয়েছিল কাশ্মীর। শ্রীনগর পৌঁছেই একের পর এক বিপদের মধ্যে পড়ে রাশিদা, ধর্ষিতা হয়। এদিকে ফারুককে সামান্য কারণে গ্রেফতার করে সেনা, ক্যাম্পে আটকে রেখে অমানুষিক অত্যাচার করে চারদিন পরে মুমূর্ষু অবস্থায় ফেলে দেয় সোনমার্গের রাস্তায়। প্রাণে বেঁচে যায় ফারুক। কপর্দকশূন্য ফারুক হাসপাতালেই সংস্পর্শে আসে গুলাম রসুল আর আবিদা আপার। ওদিকে রাশিদা বুঝতে পারে সে ভুল করেছে ফারুকের সঙ্গে পালিয়ে এসে, ফারুকের আরও দুই স্ত্রী আর তিন ছেলেমেয়ে রয়েছে সোপিয়ানে। রাশিদা কি ফিরে যাবে খোকনের কাছে? ফারুক কীভাবে বিচ্ছিন্নতাবাদী শক্তির সঙ্গে ভিড়ে গেল ধীরে ধীরে? ইউসুফ আর চন্দ্রিকার প্রেমের পরিণতি কী? ইন্দ্রাণীই বা কী করবে এরপর? হুমায়ুন কবীরের উপন্যাস ‘ফাইনাল গাজি’ দ্বিতীয় পর্ব যেমন কৌতূহলপ্রদ, তেমনই রোমাঞ্চকর।
Reviews
Clear filtersThere are no reviews yet.