মাত্র ষোলো বছর বয়সে স্বদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে নিজেকে সমর্পিত করে কারাবরণ করেন হিতব্রত। কারাবাসের সময়ে দেশবরেণ্য নেতাদের সান্নিধ্য লাভ করেছেন। উত্তাল সময়ের প্রেক্ষাপটে তাঁর জীবন যত উন্মোচিত হয়েছে তত তিনি জড়িয়ে পড়েছেন একের পর এক সমাজ আন্দোলনে। ‘কান্তকবি’ রজনীকান্ত সেনের নাতি হিসেবে হয়তো এই জীবনই তাঁর কাম্য ছিল। তিনি পৃথিবী ঘুরেছেন, মানুষের সঙ্গে মিশেছেন, মেলবন্ধন ঘটিয়েছেন এক গোলার্ধের সঙ্গে আরেক গোলার্ধের মানুষের। ‘দেশ’ কাকে বলে তা বুঝেছেন, দেশের ভিতর ও বাহির দুই থেকেই। রাজনৈতিক বিশ্লেষক রূপে জেনেছেন বিশ্ব রাজনীতিকে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে দূতাবাসে কাজের সূত্রে অনুধাবন করেছেন সে দেশের পররাষ্ট্র নীতি। মুক্তি খুঁজেছেন লোকসঙ্গীতে। বাউল গানকে পৌঁছে দিয়েছেন বিশ্বের দরবারে। তাঁর জীবনে সার্থক হয়েছে বিশ্ব সৌহার্দ্য, যা আজকের অস্থির সময়ে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। গঙ্গাতীরের শহর কলকাতা থেকে শেষ জীবনে পোটোম্যাক নদীতীরের বাসিন্দা হিতব্রতর এই স্মৃতিকথা, এক বর্ণময় আলেখ্য— এক হারিয়ে যাওয়া সময়ের গাথা, যেখানে তিনি তাঁর ঐহিক জীবনে বারবার অগ্রগামী হয়েছেন বৃহত্তর জীবনের হিত সন্ধানে।
Reviews
Clear filtersThere are no reviews yet.