তাঁর সম্পর্কে প্রথম কথাটি হল, তাঁর আসল নাম হলধর সরখেল। কিন্তু দুনিয়াসুদ্ধ লোক কেন যে তাঁকে ঘটোৎকোচ জেঠু বলে ডাকে, সে এক লম্বা কাহিনি।
জেঠু একটা সরকারি দপ্তরে চাকরি করতেন। সেই সুবাদে প্রায়দিনই মক্কেলরা নিয়ে আসত সরু চাল, মিহি ডাল, মশলাপাতি, আলু, পটল, ঝিঙে,..
কৌটোভর্তি খাঁটি গাওয়া-ঘি, পাকা রুই, নধর পাঁঠা। প্রকাশ্য দিবালোকে শতচক্ষুর সামনে দিয়ে সেসব বস্তু সগৌরবে ঢুকে যেত তাঁর বাড়ির অন্দরে।
কিন্তু এত-এত জিনিস তো একলপতে খাওয়া যায় না। সেই কারণে জেঠু পুরোটাই ব্যাঙ্কে রেখে দিতেন। তারপর ইচ্ছেমতো তুলে তুলে খেতেন। সে আবার কী? শাক-সবজি, মাছ, তেল-ঘি, পাঁঠা-মুরগি,- এসব বস্তু আবার ব্যাঙ্কে জমা রাখা যায় নাকি? তার জবাবে বলি, যায়। ঘটোৎকোচ জেঠু’র সরেস মগজ থাকলেই সবকিছু ব্যাঙ্কে রাখা যায়।
জেঠু’র এই ধরনের হাজার-গণ্ডা পিলে-চমকানো কাণ্ড-কারখানা নিয়ে এই সময়ের কিশোর সাহিত্যের অন্যতম সেরা লেখক ভগীরথ মিশ্রের দমফাটা হাসির উপন্যাস ‘ঘটোৎকোচ জেঠু ও সাত গিনিপিগ’। পড়লে-পরে হাসতে হাসতে বাচ্চাদের পেটে খিল ধরে যাবে।
Reviews
Clear filtersThere are no reviews yet.