পরিবারের সামনে কুঁকড়ে থাকা আর রাতদিন এক করে বিসিএস-সহ সব সরকারি চাকরির জন্য মুখ বুজে প্রস্তুতি নেওয়া ছাড়া এক ইউনিভার্সিটি বেকারের খুব একটা কাজ ছিল না। ঈশান রায়ও সেই কাজ করছিল, কিন্তু সময়ের ঝড়ে তার সেই প্রতিজ্ঞা উড়ে গেল।
গুলশানের এক অভিজাত বাড়ির বুড়োকে তার শেষ দিনগুলোতেও কোন চিন্তা তাড়া করছে? কোনও কারণ ছাড়াই কেন তিনি আত্মহত্যা করলেন? অভিজাতদের আলাদা সুবিধার জন্য এই সাধারণ তদন্তও নেমে এলো সিআইডির কাঁধে। এই আত্মহত্যার তদন্তে ঘটনাচক্রে জড়িয়ে পড়ল ঈশান। সে কি বাঘা বাঘা প্রশিক্ষিত অফিসারদের সামনে প্রাইভেট গোয়েন্দা হিসেবে নিজের যোগ্যতা প্রমাণ করতে পারবে? জানতে হলে পড়তে হবে গোয়েন্দা ঈশান রায় সিরিজের প্রথম উপন্যাস “রুদ্ধদ্বার”।
দ্বিতীয় উপন্যাসে দেখা যায় আলিফ মোহাম্মদ খুন হয়েছেন। তাঁর পেশা যা ছিল, সেই হিসাবে খুন হওয়া আশ্চর্য্যের না, তবে খুনের পরের ঘটনা কিঞ্চিত অস্বাভাবিক। খুনের জায়গা থেকে প্রায় হাতেনাতে ধরা পড়ে তার নিজের ভাইপো। কিন্তু, তার জবানবন্দিতে সে খুনের কথা অস্বীকার করে।
আড়াই’শ বছর আগে এক মূল্যবান জিনিস বহুদূর থেকে ঘটনাচক্রে আসে দিনাজপুরের মাটিতে। এত বছর পরে সেই মূল্যবান বস্তু কি প্রকাশিত হবে নাকি কিংবদন্তি আরও কিছুকাল কিংবদন্তি হয়েই থাকবে? সবচেয়ে বড়ো প্রশ্ন সেই বস্তুর সঙ্গে আলিফ মোহাম্মদের খুনের কি কোনো সম্পর্ক আছে? কে খুন করেছে আলিফ মোহাম্মদকে? প্রশ্নগুলো আস্তে আস্তে খুঁজে পায় ঈশান। উত্তর জানতে পড়তে হবে গোয়েন্দা ঈশান রায় সিরিজের দ্বিতীয় উপন্যাস “নবরত্ন”।
Reviews
Clear filtersThere are no reviews yet.