টাইম মেশিন কী দিয়ে তৈরি হয় পাঠক। শব্দই নয় কি সেই অমোঘ একক, যার অবিরাম মাইটোসিসে অলক্ষে রূপ নেয় সেই মায়াযন্ত্রের কাঠামোয দিয়ে গড়া হয় তার দেওয়াল, ছাওয়া হয় চাল, নিকোনো হয় উঠোন— এমনকী কিছু উদাসী আলপনাও আঁকা হয় আদরের রোগা, ভীতু কিন্তু অনুপম। তার লুকোনো ককপিটে বিছানো থাকে পুরোনো ওয়াড়ছেঁড়া তোশক আর তুলো বের হওয়া বালাপোশ, দেওয়াল আলো করে রাখে। কোনো একহারা কিশোরীর কুরুশকাটায় বোনা টকটকে গোলাপ, মহাজাগতিক রেডিও ফ্রিকোয়েন্সিতে ভেসে আসে অনুরোধের আসর বা ভুলে বিছড়ে গীত, সাদা-কালো জিপিএস-এর শাটার সরালেই নীল কাচঢাকা স্ক্রিনে ফুটে ওঠে দর্শকের দরবারে আর নিষিদ্ধ চিত্রহার। এই অবাক ভ্রমণের স্পেসস্যুট- বালিকা বিদ্যালয়ের টিচার্সরুমে বোনা হাতা আর গায়ের উলের রং-না-মেলা সোয়েটার মেনুকার্ড সেপিয়া টিফিনবেলার জলমালাই আর মশলা সিগারেট, অক্সিজেন অকারণ বৈকালিক মনখারাপের ঘ্রাণ; আর বাস্তবে ফিরে আসার রিভার্স গিয়ারের পিছুটান – মায়ের হাতের মাছের ঝোল আর ভাত। শব্দে বোনা সেই অলৌকিক সময়যানের নাম হলদে সাবমেরিন! চলুন, বেড়িয়ে পড়া যাক
Reviews
Clear filtersThere are no reviews yet.