দুই বাংলার জনপ্রিয়তম থ্রিলার লেখক মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিনের বহুল আলোচিত ও জনপ্রিয় বেগ বাস্টার্ড সিরিজ-এর ৭টি থ্রিলার। নতুন প্রকাশিত
নেমেসিস
দেশের সব চাইতে জনপ্রিয় লেখক পক্ষাঘাতগ্রস্ত অবস্থায় নিজের অ্যাপার্টমেন্টে খুন হলেন। সন্দেহভাজন হিসাবে গ্রেফতার হল লেখকের স্ত্রী বর্ষা এবং তার বর্ষার প্রেমিক আলমকে। তদন্ত করতে গিয়ে ঘটনাস্থলেই আলমকে খুঁজে পায় জেফরি বেগ এবং গ্রেফতার করে। সন্দেহ করা হয় তারা একসাথে খুনটা করেছে। কেস ক্লোজ হয়ে যায় তবে একটা খটকা জেফরি বেগকে নতুন চিন্তা করতে বাধ্য করে। লেখকের ল্যাপটপ। তার ল্যাপটপকে লেখকের হাতের নাগালের বাহিরে রাখা হয়েছে অথচ সেটা তার মৃত্যুর সময় ব্যবহার করা হয়েছে। ওদিকে পক্ষাঘাতগ্রস্ত লেখকের সম্ভব নয় সেটা ব্যবহার করা। খটকা থেকে পুনরায় তদন্ত শুরু করলো জেফরি বেগ আর ঘটনা মোড় নিতে থাকলো ভিন্ন দিকে।
মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিনের বহুল আলোচিত ও জনপ্রিয় এই উপন্যাসটি বাংলা সাহিত্যে মৌলিক থ্রিলারের নতুন যুগের সূচনা করেছে।
কন্ট্রাক্ট
পাঁচ লক্ষ টাকা দামের একটি টেলিফোন কল। কোটি টাকার ষড়যন্ত্র। পেশাদার খুনি বাস্টার্ডকে ফিরে আস্তে হল দেশে; একটি লাইফটাইম কন্ট্রাক্ট। আত্মবিশ্বাসী বাস্টার্ড তার মিশনে নেমে পড়তেই সব কিছু জট পাকাতে শুরু করে। বিশাল এক ষড়যন্ত্রের অংশ হয়ে যায় সে। এদিকে দৃশ্যপটে আবির্ভূত হয় হোমিসাইড ইনভেস্টিগেটর জেফরি বেগ। তাদের দুজনের লক্ষ্য একেবারেই ভিন্ন। ষড়যন্ত্র আর পাল্টা ষড়যন্ত্র — রাজনীতি আর অন্ধকার জগতের উপাখ্যান, সেই সঙ্গে এক প্রেমকাহিনি।
জেফরি বেগ-বাস্টার্ড সিরিজে নেমেসিস-এর পর এটি দ্বিতীয় গল্প। দ্রুতগতির এই অ্যাকশন থ্রিলারটি মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিনের অন্য থ্রিলারের মতো পাঠককে রোমাঞ্চিত করবেই।
নেক্সাস
অভিজাত স্কুল সেন্ট অগাস্টিনে খুন হল নিরীহ এক জুনিয়র ক্লার্ক। হোমিসাইড ইনভেস্টিগেটর জেফরি বেগ তদন্তে নামতেই দ্রুত ঘটনা মোড় নিতে থাকে — দৃশ্যপটে আবির্ভূত হয় ভয়ংকর এক সন্ত্রাসীচক্র। কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ে ইনভেস্টিগেটর। কিন্তু দমে যাবার পাত্র নয় সে। অবশেষে সত্য উদঘাটনে সফল হতেই সূত্রপাত ঘটে নতুন একটি উপাখ্যানের।
জেফরি বেগ-বাস্টার্ডের যে দ্বৈরথ শুরু হয়েছিল নেমেসিস-এ, কন্ট্র্যাক্ট-এ এসে সেটা গতি লাভ করে আর নেক্সাস-এ পাঠক খুঁজে পাবেন সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি সম্পর্ক — পাঠক আরও একবার রোমাঞ্চিত হবেন।
কনফেশন
বদলে গেছে পেশাদার খুনি বাস্টার্ড। সে আর টাকার বিনিময়ে খুন করে না কিন্তু তার নিয়তি তাকে ফিরে যেতে বাধ্য করল পুরনো পরিচয়ে। আবারও মুখোমুখি হোমিসাইডের ইনভেস্টিগেটর জেফরি বেগের। পেশাদার খুনি জড়িয়ে পড়ল এমন একটি ঘটনায় যেখানে তার নিজের জীবনটাই বিপন্ন হয়ে উঠল অবশষে।
নেমেসিস থেকে কন্ট্রাক্ট আর নেক্সাস পর্যন্ত বেগ আর বাস্টার্ডের যে দ্বৈরথ চলে এসেছে তারই ধারাবাহিকতায় কনফেশন। যা পাঠকের কাছে খুলে দিয়েছে বাস্টার্ডের জীবনের গোপন সকল রহস্য।
করাচি
তিনযুগ আগের একটি ঘটনার মীমাংসা করতে হবে বাস্টার্ডকে, আর সেজন্য পাড়ি দিতে হবে বারোশো মাইল। যেতে হবে বিশ্বের সবচেয়ে অরাজক আর বিপজ্জনক শহর করাচিতে। সেখানে অপ্রত্যাশিত সব ঘটনার মুখোমুখি হতে হল তাকে। একটা সময় মনে হল তার টার্গেটের নাগাল পাওয়াটা শুধু কঠিন নয়, অনিশ্চিতও বটে। তবে আত্মবিশ্বাসী বাস্টার্ড হাল ছেড়ে দেবার পাত্র নয়। চূড়ান্ত আঘাত হানার সময় বুঝতে পারল দুনিয়া কাঁপানো একটি ঘটনার মধ্যে ঢুকে পড়েছে অযাচিতভাবে! বহু আলোচিত ও জনপ্রিয় বেগ-বাস্টার্ড সিরিজের একটি প্রিকোয়েল এবং একইরকমভাবে তুমুল গতিময় ও তুমুল চমকপ্রদ।
নেক্সট
দীর্ঘদিন পর ফিনিক্স পাখির মতো ভষ্ম থেকে পুণরুত্থিত হয়েছে ব্ল্যাক রঞ্জু। আবারো সৃষ্টি করেছে ত্রাসের রাজত্ব। এবার অনেক বেশি শক্তিশালি এবং ভয়ঙ্কর। আর অপ্রতিরোধ্য তার সন্ত্রাসী চক্র। আইন শৃঙ্খলা বাহিনির সাধ্য নেই তার নাগাল পায়। ওদিকে ঢাকার এক আবাসিক এলাকা ঘটে গেল তিনটি হত্যাকাণ্ড। তদন্তে নেমেই অপ্রত্যাশিত কিছুর হদিস পেয়ে গেল হোমিসাইডের ইনভেস্টিগেটর জেফরি বেগ। হয়তো ব্ল্যাক রঞ্জুর নাগাল পেয়ে যাবে সে। কিন্তু পর্দার অন্তরালে আছে আরেকজন, তাকে ধরা প্রায় অসম্ভব। সে কী চায়? কে সে? বাস্টার্ডই বা কেন আড়াল থেকে বেরিয়ে এসে হন্যে হয়ে খুঁজছে সেই লোককে? নাকি তাকেই খুঁজছে রহস্যময় লোকটা! বাস্টার্ডের জন্য পাঠকের অপেক্ষার প্রহর শেষ, সেই সাথে সব প্রশ্নেরও জবাব পাওয়া যাবে ‘বেগ-বাস্টার্ড’ সিরিজের ষষ্ঠ বই ‘নেক্সট’-এ।
কন্ট্রোল
ঢাকার অভিজাত এলাকায় খুন হল এক যুবতি। তদন্তে নামলেন জেফরি বেগ। তদন্তের প্রথম থেকেই ঘটনাচক্রে জড়িয়ে পড়েছেন তিনি। স্থানীয় থানার ওসি বারবার এটিকে সুইসাইড হিসেবে প্রমাণ করতে চাইছেন। কিন্তু কেন?
দেশের বৃহৎ এক ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের কর্ণধার জড়িয়ে পড়েছেন এই খুনের সঙ্গে। টাকা দিয়ে সব কিছু ধামাচাপা দিতে চাইছে তারা। কোটি কোটি টাকা। টাকায় রাজি না হলে হুমকি, তাতেও না হলে খুন। এভাবেই এতদিন চলেছে। কিন্তু জেফরি বেগ অন্যধারার মানুষ।
একজন সৎ পুলিশ অফিসারের সঙ্গে দেশের বৃহৎ ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের অসম এক লড়াই কন্ট্রোলের উপজীব্য। যেখানে নগ্ন হয়ে পড়ে রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের লোভও।
Reviews
Clear filtersThere are no reviews yet.