দুটি রহস্য উপন্যাস
মন জানে পাপ: ডাক্তার সোমদেব গুহ (তথা বুড়ো গোয়েন্দা) কলকাতা শহরের খ্যাতিমান চিকিৎসক তথা অজ্ঞানবিদ হলেঝ সত্যান্বেষি হিসেবেই তাঁর পরিচিতি বেশি। নিজেই বলেন, তিনি গল্পের ব্যোমকেশ, কিরীটি বা ফেলুদা নন, বাস্তবের গোয়েন্দা তথা সত্যান্বেষি। কৃতী লেখক নবকুমার বসু-র কলমে তাঁর অন্বেষণের কাহিনি সাহিত্যে রূপায়িত হয়।বর্তমান কাহিনিটি কলকাতার প্রান্তসীমায় অবস্থিত ‘সুদক্ষিণা’ নার্সিংহোমকে কেন্দ্র করে। রুদ্ধশ্বাস রহস্য উন্মোচনের সঙ্গেই, এই উপন্যাসে সাহিত্যপাঠের স্বাদ ছাড়াও পাঠককে এক গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়ে দেন দায়িত্বশীল, সচেতন লেখক।
নিশীথে সংহার: সত্যান্বেষি ডাক্তার সোমদেব গুহ ও তার সহকারী সাংবাদিক মানিক ব্যানার্জি অভিন্ন হৃদয় বন্ধু হলেও, তাদের আটপৌরে পরিচিতি: ‘বুড়ো গোয়েন্দা ও মানিক অ্যাসিসট্যান্ট’। সাংবাদিক হিসেবেই মানিকের পরিচয়ের বৃত্ত বড়। সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির ক্যামেরাম্যান সুজন রাউত- ও সেই বৃত্তের অন্তর্গত। কিন্তু সুজনের ব্যক্তিজীবনের বেহিসাব ও শৃঙ্খলহীনতা মানিকের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতায় ব্যবধান রচনা করেছিল। তা সত্ত্বেও সুজনের অভিশপ্ত দুর্ঘটনায় মৃত্যুসংবাদে মানিক ছুটে না গিয়ে পারেনি। কিন্তু অকুস্থলে পৌঁছে সত্যান্বেষির সহকারী হিসেবেই মানিকের মনে প্রশ্ন জাগে, সুজনের মৃত্যু কি সত্যি দুর্ঘটনাই? গোয়েন্দা গল্পের লেখক নয়, একজন সচেতন সাহিত্যিক হিসাবে বিশিষ্ট কথাকার নবকুমার বসু আবারও এমন একটি উপন্যাস বাঙালি পাঠকদের উপহার দেন- যা রহস্য-রোমাঞ্চের সঙ্গেই একটি উৎকৃষ্ট সাহিত্য হিসেবেও চিহ্নিত হয়ে যায়। ভাবনায়,ভাষায়,সংলাপে আর কাহিনির নিবিড় বুনোটে এই উপন্যাস হয়ে ওঠে যুগোপযোগী, উপভোগ্য এবং মানবিকও।
Alan Mukherjee (verified owner) –
একটি হৃদয়গ্রাহী কাহিনী।
আদিত্য ঘোষ (verified owner) –
গল্পের প্রতিটি মুহূর্ত উপভোগ্য।
অঞ্জন চ্যাটার্জী (verified owner) –
Complex characters and a gripping plot.
Edward De (verified owner) –
চরিত্রগুলোর মধ্যে বাস্তবতার ছোঁয়া রয়েছে।
অভ্রনীল সরকার (verified owner) –
Fast-paced and thrilling.
অমরেন্দ্র নন্দী (verified owner) –
Couldn’t put it down.