ভারতের উত্তর-পূর্বের রাজ্যগুলোতে দ্বাদশ-ত্রয়োদশ শতকে কিছু তন্ত্রসাধক জনগোষ্ঠীর আবির্ভাব ঘটে। যাদের গোপন তন্ত্রসাধনার বীজ তৎকালীন রাজন্যবর্গের অন্দরমহলেও প্রবেশ করেছিল। মনে করা হয়, সমকালীন সম্রাটের বাধাহীন সাম্রাজ্য বিস্তারের পেছনে এক ভয়ংকরী দেবীর অতীন্দ্রিয় প্রভাব ছিল। রক্তপিয়াসী দেবী দিক্করবাসিনীর অনুগত পিশাচকূলকে জাগিয়ে তুলেছিল প্রাচীন তান্ত্রিক যোগিনীরা।
প্রায় আটশো বছর পর শাান্তিনিকেতনের উপাধ্যায় পরিবারকে ঘিরে ঘটতে শুরু করে একের পর এক দুর্ঘটনা। বিচিত্র অলৌকিক ঘটনার ঘাত-প্রতিঘাতে চরিত্রগুলির ওপর নেমে আসে করাল আতঙ্কের ছায়া, যা থেকে মুক্তির পথ বড়োই দুর্গম—অসহ্য যন্ত্রণাময়! তবুও অলৌকিকতা, ভয়ালরস, নরক-যন্ত্রণা সব ছাপিয়ে কোথায় যেন সূক্ষ্মভাবে মানবিক গুণগুলোই বারে বারে জিতে যায়—ভালোবাসা, বিশ্বাস, বন্ধুত্ব ছাপিয়ে যায় সব বাধাকে।
চলুন—প্রবেশ করি এক অদ্ভুত জগতে। যেখানে অসমের উত্তাল দিকরং এবং বাংলার ক্ষীণধারা কোপাই’র সংমিশ্রণে তৈরি হচ্ছে এক রহস্যময় অধ্যায়। “কালসন্দর্ভা”তে আপনার যাত্রা মঙ্গলময় হোক।
Reviews
Clear filtersThere are no reviews yet.