মধ্যবঙ্গের কবিগান, প্রসঙ্গ গুমানী দেওয়ান’ রচনাটিকে চারটি অধ্যায়ে ভাগ করা হয়েছে।
প্রথম অধ্যায়ে, কবিগানের নানা উপাদানগুলিকে দেশি-বিদেশি ঐতিহ্যে অনুসন্ধান করে, তা থেকে নির্দিষ্ট করা হয়েছে কবিগানের স্বরূপ পরিচয়কে। পূর্ববঙ্গের কবিগান, মধ্যবঙ্গের কবিগান এবং চব্বিশ পরগনার ‘তর্জা’ গানের মিল ও অমিল দেখিয়ে, সেগুলির বৈশিষ্ট্য নির্ণয় করা হয়েছে উপসংহারে।
দ্বিতীয় অধ্যায়ে, মূলত মধ্যবঙ্গের শতজন কবিগায়কের উপর এক সমীক্ষায়, তাদের আর্থ-সামাজিক-ব্যক্তিগত তথ্যের আলোকে বিচার করা হয়েছে কবিগানকে। মধ্য-উত্তরবঙ্গে কবিগানের বিস্তৃতির প্রমাণ হিসাবে পেশ করা হয়েছে একাধিক কবিগায়কদের তালিকা।
তৃতীয় অধ্যায়ে, পিতা দেবেন্দ্রনাথ চৌধুরীকে নিয়ে লিখেছেন, পুত্র এবং কবিগায়ক সুদর্শন চৌধুরী। নিজের কথা বলেছেন কবিয়াল রিয়াজুদ্দিন সেখ। ‘প্রাচীন অন্ধ গায়ক রাখাল’কে নিয়ে লিখেছেন কীর্তনিয়া এবং কবিগায়ক মদনমোহন চক্রবর্তী। লেখাগুলি ১৯৯১-এর আগে লেখা এবং অমুদ্রিত। এ লেখাগুলি’ কবিগান ও গায়কদের নানা অজানা দিকে আলো ফেলেছে।
Reviews
Clear filtersThere are no reviews yet.