কাকে বলে গুপ্তচরবৃত্তি? প্রতিপক্ষকে টেক্কা দিতে আড়ি পেতে তার দুর্বলতা ও পরিকল্পনার আঁচ করা। হিটলারের বিশ্বস্ত সহচর অ্যাডলফ আইখম্যানের ফাঁসি, আরব দুনিয়ার একের পর এক পারমাণবিক কেন্দ্রে হামলা, বিজ্ঞানীদের খতম করা থেকে শুরু করে পেগাসাস- অনেক পথ পেরিয়েছে আজকের ইজরায়েল। আর অন্যদিকে এই দুনিয়ায় ইন্টারনেটের যুগ হাট করে খুলে দিয়েছে জনতার গোপনীয়তা, গুরুত্বপূর্ণ মানুষদের ব্যক্তিগত তথ্য। গুপ্তচরবৃত্তিও হচ্ছে যন্ত্রের সাহায্যে। মোসাদ পৃথিবী জুড়ে নানা গোপনীয় উপায়ে তথ্য সংগ্রহের জাল বিস্তার করেছে। গোপন নথির দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্তাদের ফাঁদে ফেলা কিংবা টাকার লোভ দেখিয়ে তথ্য হস্তান্তরের কাজ দ্রুত ও নিখুঁত করতে অত্যাধুনিক যজ্ঞের সহায়তা লাগেই। এজেন্টদের কাজে লাগিয়ে আড়ি পাতা, বন্ধুত্ব করা, ‘বাগিং’ করা, গোপন ক্যামেরা লাগানো ইত্যাদিই হল পন্থা। গোপনে জিপিএস দিয়ে কারও গতিবিধি মাপা অনৈতিক হলেও গুলো করতেই হয়। সে পথে বাধা এলে গুপ্তহত্যাও হাত কাঁপে না। রনেন বার্গম্যানের ‘রাইজ অ্যান্ড কিল ফার্স্ট’ বইটির শিরোনাম বেছে নেওয়া হয়েছিল প্রাচীন ইহুদি সাহিত্যের প্রবাদ থেকে। প্রবাদটি হল, “যদি কেউ তোমাকে হত্যা করতে আসে, তাহলে রুখে দাঁড়াও এবং তাকেই প্রথম হত্যা করো।’ বার্গম্যান বলেছিলেন, নিজেদের কাজের বৈধতার জন্য মোসাদ কর্তারা বারবার এই প্রবাদটিই আওড়েছেন…
Reviews
Clear filtersThere are no reviews yet.