একাদশ শতাব্দীর মিথিলা রাজ্য। রাজ্যের দক্ষিণ সীমান্তে কলচুরি, দক্ষিণ-পশ্চিমে চান্দেলা, পশ্চিমে তোমরের ন্যায় শক্তিশালী রাজবংশগুলি মিথিলার উত্থানের পথে চরম প্রতিবন্ধক হয়ে উঠেছিল। মিথিলা রাজ্যটি বহুদিন পালসাম্রাজ্যের ছত্রছায়ায় কোনক্রমে তার অস্তিত্ব বজায় রেখেছিল। কিন্তু একাদশ শতাব্দীর শেষার্ধে মিথিলায় আবির্ভাব হ’ল এক কর্ণাট বীরের। সেই বীরের হাত ধরেই মিথিলায় উত্থান হ’ল শক্তিশালী কর্ণাট রাজবংশের।
তবে এ কাহিনী শুধুই যুদ্ধের নয়, বরং হৃদয়মথিত আবেগবিহ্বল অন্তর্দ্বন্দ্বেরও। একাধিক প্রণয়ী-প্রণয়িনী মিথিলার পূণ্য গণ্ডকীতীরে উপস্থিত থেকে এই কাহিনীকে এক সার্থক প্রেমকাব্যের রূপ দিয়েছে। এ প্রেম শরীরী মায়াজাল ভেদ করে পাড়ি দিয়েছে মনের অন্তর্লীন কোন গহীন মহাসমুদ্রে। এই প্রেম প্রেমের কঠিন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে উদ্ভাসিত হয়েছে অমলিন রূপে। পরিণত হয়েছে নিকষিত প্রেমে।
আসছে নবশ্রী চক্রবর্তী বিশ্বাসের কলমে একাদশ শতাব্দীর পটভূমিতে রচিত ঐতিহাসিক উপন্যাস “নিকষিত প্রেম।”
Reviews
Clear filtersThere are no reviews yet.