বাংলা সাহিত্যে স্মরণীয় হয়ে আছেন রাজশেখর বসু। স্বনামে এবং পরশুরাম ছদ্মনামে। ১৮৮০ খ্রিস্টাব্দের ১৮ মার্চ থেকে ১৯৬০ এর ২৭ এপ্রিল, আশি বছরের বর্ণময় জীবন। বাংলা সাহিত্যে তাঁর গৌরবময় আবির্ভাব ১৯২২ সালে। বিয়াল্লিশ বছর বয়সে প্রথম গল্প প্রকাশিত হলো ভারতবর্ষ পত্রিকায়, শ্রীশ্রীসিদ্ধেশ্বরী লিমিটেড। উৎকেন্দ্র সমিতির আড্ডার বন্ধুরা পীড়াপীড়ি না। করলে বা জলধর সেন মহাশয় জোর না করলে হয়তো এই বিরল প্রতিভার (রবীন্দ্রনাথের ভাষায়- কেমিক্যাল গোলড নন, খাঁটি খনিজ সোনা) দেখা পেতে বাংলাদেশকে আর কতদিন অপেক্ষা করতে হত কে জানে? কাঁধে ছিল আচার্য প্রফুল্লচন্দ্র রায় প্রতিষ্ঠিত বেঙ্গল কেমিক্যালের গুরুদায়িত্ব, কৃতিত্বের সঙ্গে সেই গুরু ভার সামলে তিনি গল্প লিখেছেন। কবিতা ও প্রবন্ধ। রচনা করেছেন। তাঁর প্রবন্ধের বিষয়বস্তুর দিকে তাকালে বিষয়-বৈচিত্র দেখে মুগ্ধ হতে হয়। ভারতের খনিজ, কুটিরশিল্প, অপবিজ্ঞান, বাংলাভাষায় বিজ্ঞান, বিজ্ঞানের বিভীষিকা – 1 প্রবন্ধগুলির পাশাপাশি দেখি বাংলা ভাষা, বাংলা বানান, বাংলা পরিভাষা বা বাংলা ছন্দ নিয়ে প্রবন্ধমালা । যুক্তি-তথ্যের সঙ্গে সরস ভাষার ব্যবহার। মণিকাঞ্চন যোগে প্রবন্ধগুলিও বাংলা সাহিত্যের সম্পদ। এছাড়াও চলন্তিকার মত অভিধানের জনক তিনি। করেছেন, রামায়ণ, মহাভারত, গীতার সারানুবাদ। হিতোপদেশের গল্পগুলি শিশুদের জন্যে অনুবাদ করেছেন।
Edited by Ajoy Gupta
Reviews
Clear filtersThere are no reviews yet.