“অন্ধকার ওখানে কিছুটা তরল। মেঘের চাদর সরিয়ে উকি দেওয়া চাঁদ আর জমা বরফের সাদা রঙ রাতের ঘন কালো ভাব একটু ফিকে করে। দিয়েছিল। সেজন্যই ওই… প্রাণীটিকে দেখতে পেলাম!” “প্রাণীটিকে? মানে নেকড়ে?”
“নেকড়ে! কিন্তু নেকড়ে কি দু’পায়ে দাঁড়িয়ে ছুটে আসতে পারে?”
“দু’পায়ে….?”
“ওর কথায় কান দিও না বাবা। চোখটা তো গেছেই। ঘোড়ার শোকে এবার মাথাটাও যাবে।” “বাজে বোকো না! হেনরি শুধু আমার ঘোড়াই ছিল না। ও আমার
সঙ্গী, আমার অবলম্বন, আরও অনেক কিছু ছিল। প্রাণীটা হেনরিকে_
“আপনি আমাকে জায়গাটা একবার দেখিয়ে দিতে পারবেন?”
“তুমি কি ওর কথা বিশ্বাস করছ বাবা?”
“অবশ্যই। আর কেউ মানুক বা না মানুক, আমি জানি অন্ধকারের পর্দা সরিয়ে মাঝেমধ্যে কারা আসে এদিকে। আজ একটা ঘোড়া গেছে, কাল মানুষ যাবে ওর পেটে… যদি আমি ওকে না আটকাই।”
“কিন্তু তুমি তো ভিনদেশি, বাবা। এভাবে আমাদের জন্য নিজেকে বিপন্ন করবে?”
“করব। সেটাই তো আমার কাজ।” “কাজ? তুমি কে?”
“সোম। রেভারেন্ড রুদ্র সোম।”
অন্ধকার যখন হিংস্র দ্বিপদের চেহারা নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ে আমাদের
আমরা প্রতিনিয়তই অন্ধকারের সাথে লড়াই করে চলেছি, কখনও আলো জ্বালিয়ে কখনও বা তার থেকে দূরে পালিয়ে! তবুও জ্বলন্ত প্রদীপের ঠিক তলার জমাট বাঁধা অন্ধকারটার মতোই, শত চেষ্টা করেও সবার জীবনেই কিছু না কিছু অন্ধকার রয়েই যায়! মেটাফিজিক্সের অধ্যাপক প্রফেসর রুদ্র সোম এরকমই একজন মানুষ, যে প্রতিনিয়ত অন্ধকারের সাথে লড়াই করে চলেছেন, তবে নিজের মতো করে। সেরকমই কিছু অন্ধকারের ছন্দবিহীন দ্বন্দ আর প্রফেসর সোমের অসীম স্পর্ধা, এই বইতে তুলে ধরলাম।
Reviews
Clear filtersThere are no reviews yet.