রহস্য বা ভৌতিক উত্তেজনায় ঠাসা কাহিনীর প্রতি মানুষের দুর্নিবার আকর্ষণ। আদতে ভয় পেতে ভালবাসি আমরা। দেশ কাল বয়সের গণ্ডীতে ‘ভয়’ সীমায়িত নয়। মানব মনের দুর্নিবার আকর্ষণ আতঙ্ক উত্তেজনা রহস্যের প্রতি। সামান্য ঘটনা অবলম্বনে শুরু হয়ে যায় কল্পনার পাখা বিস্তার। অবাস্তব আতঙ্ক উত্তেজনা নির্ভর কাহিনী নির্মাণ অনেকেরই নাপসন্দ। কিন্তু পরিত্যক্ত নির্জন বাড়িতে কিংবা মধ্যরাতের অন্ধকারে নির্জন রেলষ্টেশনে গা ছম ছম তো করেই। কল্পনায় জেগে ওঠে অশরীরি সত্তা। গড়ে ওঠে ভয়ের কাহিনী। অবাস্তব বা আতঙ্ক-নির্ভর কাহিনী নির্মাণ কি নিরর্থক? উত্তর দিয়েছেন বিশ্বের শ্রেষ্ঠ শিল্পী, পাবলো পিকাসো। বলছেন, ‘যা তুমি ভাবতে পার, তাই বাস্তব।’ বাস্তব অবাস্তবের দোলাচলে গড়ে ওঠে উত্তেজনা রহস্য আর আতঙ্ক-কাহিনী। মন্দিরের দিকে আঙুল তুলে যখন তান্ত্রিক বলেন, ‘ওখানে আগে নরবলি হত।’ শুনেই হৃদকম্প শুরু হয়ে যায়। তৈরি হয় গল্প। বাড়ির মূল্য না চুকিয়ে বাস করছেন যুবক। কে যেন তাঁর কানে কানে বলে, ‘এ-তো আমার বাড়ি। তুমি কে হে?’ পাহাড়ের পাদদেশে মধ্যরাতের নির্জন রেলষ্টেশনে ঠাণ্ডায় মরতে বসেছিল যুবক। কে তাকে হোটেলে পৌঁছে দিয়ে প্রাণ বাঁচিয়েছিল? এরকম চোদ্দটি গল্প নিয়ে এই বই, ‘রহস্য না ভৌতিক’। সবগুলোর নির্মাণই বাস্তব ভিতের আধারে। আশা করা যায় পাঠকদের রোমাঞ্চিত করার পাশাপাশি এই বই জীবনের পাঠও শেখাবে।
Reviews
Clear filtersThere are no reviews yet.