আবহমান বাংলা কবিতার পথে ছায়া কত না বনস্পতির! কত পরীক্ষানিরীক্ষা, ভাঙচুর, অনুভূতির কত না বহুকৌণিক বিচ্ছুরণ! তবু একরৈখিক চর্চার পরিসর কেবলই সংকীর্ণ করে তোলে সেই ঐশ্বর্যের যাত্রাপথ। ফলত কবিতাপথের ভবিষ্যৎ যাত্রীর পক্ষে ব্যাগভর্তি সন্ধ্যাতারা আবিষ্কার হয়তো কিঞ্চিৎ দুরূহই হয়ে পড়বে- এমত আশঙ্কা জেগে থাকে কোথাও, কখনও। প্রদীপ চক্রবর্তী নিজে কবিতাচর্চা করেন। সেই সঙ্গে প্রয়াসী বাংলা কবিতার এই আবহমান ধারাটিকে তাঁর শোণিতপ্রবাহে সংযুক্ত করতে। ফলে তাঁর অনুভবে যে কবিতা ধরা পড়ে তা ইতিহাস ছুঁয়েই সমসময়ের উজ্জ্বল উদ্ধার। যেখানে আলো পড়ে আর যেখানে আলো ফেলা দরকার – এ দুই পথই তিনি হেঁটে দেখেছেন আর স্বপ্নাদিষ্ট লিপির মতো লিখে রেখেছেন মননের ভিন্নতর ভাষ্য। স্বদেশ সেন, শম্ভুনাথ চট্টোপাধ্যায়, বারীন ঘোষাল থেকে তাপসকুমার লায়েক, রাজর্ষি চট্টোপাধ্যায়ের হাত ছুঁয়েই একটা বৃত্ত স্পর্শ করতে চান তিনি। তা যেমন তাঁর নিজের জন্য, তাঁর সময়ের জন্য, তেমন ভাবীকালের জন্যও। এবং সর্বোপরি অবশ্যই বাংলা কবিতার পাঠক- সেই অলৌকিক শুদ্ধ মানুষদের জন্যেও।
Reviews
Clear filtersThere are no reviews yet.