গৌড়াধিপ শশাঙ্কের মৃত্যু ও পালবংশের প্রতিষ্ঠার মধ্যবর্তী একশো বছর ইতিহাসের পাতায় ‘মাৎস্যন্যায়’ নামে পরিচিত। এই অন্ধকার ও প্রায়াজ্ঞাত সময়ের প্রেক্ষাপটে রচিত একটি উপন্যাস ‘তমস্বীযুগতুঙ্গীশ’ । ২০২৪-এর কলকাতা বইমেলায় উপন্যাসটি বই আকারে প্রকাশিত হয়েছে। পালবংশের প্রতিষ্ঠাতা গোপাল ইতিহাসে পরিচিত, কিন্তু তাঁর পিতা বপ্যট, পিতামহ দয়িতবিষ্ণুর নাম-পরিচয় বিশেষ পাওয়া যায়না। সপ্তম শতকের এই নায়কেরাই উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র। এছাড়াও চৈনিক পরিব্রাজক ই-ৎসিঙ, সেসময়ের তাম্রলিপ্তের রাজা লক্ষ্মীনারায়ণ, তাঁর কন্যা চন্দ্রাদেই, লামা তারানাথের (তারনাথ) উল্লেখ করা গোবিন্দচন্দ্র, বিমলচন্দ্র প্রমুখ সপ্তম শতকের চরিত্রগুলির সঙ্গে এই উপন্যাসে আছে বেশকিছু কাল্পনিক চরিত্র। কেমন ছিল সেই সময়ের গৌড়, কর্ণসুবর্ণ, বান্নগর, শ্রাবস্তী, মুদাগগিরি, গোদ্রুমদ্বীপ, সপ্তগ্রাম, বেতড্ড, তাম্রলিপ্ত, নালন্দা? কেমন ছিল সেই সময়ের সরস্বতীর গতিপথ ধরে বাণিজ্য, রাঢ়-বঙ্গে সামন্তদের অত্যাচার, নৈরাজ্য, প্রজাদের দুর্দশা? বীরবপ্যট ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র সামন্তরাজাদের সাহায্যে ও রক্ষীবাহিনীর সামান্য কিছু সদস্য নিয়ে কীভাবে গৌড় অভিযান করলেন? ইতিহাসের পাতা থেকে কোথায় হারিয়ে গেলেন রাঢ়-বঙ্গের চন্দ্রবংশীয় রাজাগণ?
Reviews
Clear filtersThere are no reviews yet.