জুই একটি ফুটফুটে পরমা সুন্দরী বালিকা। ধনীর কন্যা। পড়াশুনায় আগ্রহী। দেহলভী দরিদ্র পিতা-মাতার সন্তান, কিন্তু অত্যন্ত মেধাবী। গ্রামের সদ্যপ্রতিষ্ঠিত স্কুলে তাদের প্রথম পরিচয় হয়। দেহলভীর মেধার গুণে জুই তার কাছে শিখতে আগ্রহী, যদিও তার ধনী মাতা তা পছন্দ করে না।
এইভাবেই তারা বড়ো হয়ে ওঠে। পরস্পরের প্রতি আকর্ষণ কৈশোরের ভালোবাসা যৌবনে বিয়ের সিদ্ধান্তে রূপান্তরিত হয়। কলেজে পড়ার প্রারম্ভে পরস্পর বিবাহে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হয়। কিন্তু দেহলভী জানায়, যতদিন না সে অর্থোপার্জনে সক্ষম হয়, ততদিন তাদের বিবাহের জন্য অপেক্ষা করতে হবে।
বাল্যপ্রণয়ে কি অভিসম্পাত আছে? জুই দেহলভীর প্রেমের ভবিষ্যৎ কী? জুইয়ের ধনী মাতার অবিমৃষ্যকারিতা কোথায় নিয়ে যায় ঘটনাকে? জুঁই দেহলভীর প্রেম ভালোবাসা ও জীবনসংগ্রাম পাঠককে বিস্ময়-বিমূঢ় করে তোলে।
এই উপন্যাস জুই ও দেহলভীর জীবন সংগ্রামের কথা, আনন্দ-ব্যথা-বেদনার কথা, দেহলভীর জীবন-ভরা ব্যথা বেদনা স্মৃতিময় অনুরাগ ও সাফল্যের কথা। জুঁইয়ের প্রতি দেহলভীর সুতীব্র অনুভূতির কথা।
এই গ্রন্থ লেখকের এযাবৎ সাহিত্যসৃষ্টির এক ভিন্নতর নবতম নিদর্শন।
Reviews
Clear filtersThere are no reviews yet.