সৈন্যরা মরে যায়, লোহায় জং ধরে, কিন্তু ছায়া… ছায়া অমর!
একজন রাজাকে হত্যা করতে কী লাগে? বিশাল সেনাবাহিনী? নাকি অসীম সাহস? না, লাগে কেবল এক ফোঁটা বিশ্বাসভঙ্গ আর এক নীল বিষ!
প্রাচীন মেসোপটেমিয়ার ধূলিসাৎ সাম্রাজ্যগুলোর পুনরুত্থান আর পতনের এক রক্তহিম করা আখ্যান নিয়ে হাজির দুটি উপন্যাস।
নপুংসক:
সিংহাসনচ্যুত, বিতাড়িত একাল্লাতুমের যুবরাজ শামশি-আদাদ পথের কুকুরের মতো তাড়া খেয়ে ফিরছেন। তার মাথার দাম ঘোষণা করেছে শত্রুরা। ঠিক তখনই পাতালপুরী থেকে তার দিকে হাত বাড়িয়ে দেয় এক অদৃশ্য শক্তি—’চন্দ্রছায়া’। সোনার মুখোশ পরা এক রহস্যময়ী নারী আর তার নপুংসক ঘাতক বাহিনীর সাথে যুবরাজ করেন এক ভয়ংকর চুক্তি। তলোয়ারের বদলে মস্তিষ্ক-ধ্বংসকারী বিষ আর গুজবের অস্ত্র দিয়ে শুরু হয় সাম্রাজ্য দখলের খেলা। কিন্তু সিংহাসনে বসার পর কে আসল শাসক? রাজা, নাকি তার পেছনের ছায়া?
ছায়ার সাম্রাজ্য – আদি পর্ব:
সময় গড়িয়েছে। তলোয়ারের যুগ শেষ, এবার তথ্যের যুগ। আসিরিয়ার পশ্চিম সীমান্তের নিষ্ঠুর নেকড়ে, সেনাপতি শামশি-ইলু দশ হাজার অশ্বারোহী নিয়ে রাজধানী কালহু দখল করতে আসছে। রাজা আদাদ-নিরারির কাছে কোনো বিশাল সৈন্যবাহিনী নেই। কিন্তু তার আছে নাভুর মন্দিরের নিচে তৈরি এক ‘গুঞ্জন কক্ষ’—যেখানে কানকাটা লিপিকরেরা দেয়ালের ফিসফাস শুনে লিখে রাখে শত্রুর চরম গোপন পাপ। তলোয়ারের বদলে তৈরি হয় ‘ছায়া-লিপি’, যা শত্রুর গলায় পরিয়ে দেয় অদৃশ্য শেকল। বিনা রক্তপাতে, কেবল তথ্য দিয়ে কীভাবে এক বিশাল সেনাপতিকে দাসে পরিণত করা যায়, এ তারই এক রুদ্ধশ্বাস গল্প।
রহস্য, মনস্তাত্ত্বিক যুদ্ধ আর প্রাচীন ইতিহাসের এক অন্ধকার জগতে প্রবেশ করতে প্রস্তুত হোন।
Reviews
Clear filtersThere are no reviews yet.