রামায়ণ কেবল একটিমাত্র মহাকাব্য নয়; এটি শত শত আখ্যান, ভিন্ন ভিন্ন ঐতিহ্য ও পাল্টা-তত্ত্বের এক সুবিশাল দেশ। বাল্মীকির সংস্কৃত শ্লোক, কৃত্তিবাসের বাংলা পদাবলি কিংবা মাইকেল মধুসূদন দত্তের মেঘনাদবধ কাব্যের বাইরেও লুকিয়ে আছে অদ্ভুত রামায়ণ ও আনন্দ রামায়ণের মতো আরও অসংখ্য পাঠ, যা চেনা কাহিনিকে সম্পূর্ণ উল্টে দেয়।
ড. হিমাংশু দত্তচৌধুরীর এই গ্রন্থ বিভিন্ন রামায়ণের এই গোলকধাঁধা পেরিয়ে যাত্রা শুরু করে এবং স্থির হয়ে দাঁড়ায় লঙ্কার এক অন্ধকার উপবনে—নিকুম্ভিলার যজ্ঞস্থলে। শাক্ত-তান্ত্রিক ধারার আলোকে একটি মৌলিক প্রশ্ন এই বই সামনে রাখে: ইন্দ্রজিৎ কার উদ্দেশ্যে যজ্ঞ করছিলেন, আর কেনই বা সেই দেবী ভদ্রকালী বা প্রত্যঙ্গিরার কথা মূল মহাকাব্যগুলি সন্তর্পণে এড়িয়ে গেছে?
এই বইয়ে পাঠক খুঁজে পাবেন:
- বাল্মীকি থেকে অদ্ভুত রামায়ণ—তিনশোরও বেশি রামায়ণের বিচিত্র পাঠ ও বিশ্লেষণ
- ইন্দ্রজিৎ (মেঘনাদ) ও মায়াসুরের অজানা আখ্যান এবং লঙ্কার নেপথ্যের ইতিহাস
- নিকুম্ভিলার যজ্ঞস্থলে দেবী প্রত্যঙ্গিরার ভয়াল-সুন্দর রূপ ও বামাচারী উপাসনার রহস্য
- শাক্ত-তান্ত্রিক দৃষ্টিকোণ থেকে সীতা ও রাবণের চরিত্রের এক সম্পূর্ণ নতুন মূল্যায়ন
- বিজয়ীদের লেখা আখ্যানের আড়ালে চাপা পড়ে যাওয়া এক প্রাচীন সভ্যতার সত্য
পাণ্ডিত্য ও কাহিনির সাবলীল মেলবন্ধনে লেখা এই গ্রন্থ রামায়ণের চিরচেনা গল্পকে এক নতুন, রোমাঞ্চকর ও অখণ্ড আলোয় তুলে ধরে।
Reviews
Clear filtersThere are no reviews yet.