বিহারের প্রত্যন্ত গ্রামে সহজ সরল আর পাঁচজনের মধ্যে বড় হওয়া কিশোর ছেলেটি এক সময় হয়ে উঠল নিশীথপুর এলাকার এক ভয়াবহ তন্ত্রসাধক। যে প্রাণপ্রিয় মা ওর বেঁচে থাকার একমাত্র অবলম্বন ছিল একদিন, তাকেই সে বলি দিতে উদ্যত হল! কেন? কেন, কীভাবে ছেলেটি এমন পাল্টে গেল? শেষ পরিণতি ওর কী হয়েছিল? অথবা মোক্ষ গল্পে সেই যে অমলা, যার অন্য নাম কৃষ্ণকলি হতেই পারত। সে গরিব ঘরের বউ হয়েও শান্তনুর কতটা আদরে ছিল, সে তো বলার অপেক্ষা রাখে না। সে সুখ কেন স্থায়ী হল না ওর? আর এনজিওতে নিঃস্বার্থ কাজ করতে যাওয়া মেয়ে শরণ্যাকে কে’ই-বা ফলো করত ঠিক সন্ধে হলেই? সেই আড়ালে থাকা মানুষটা ঠিক কতটা ক্ষতি করেছিল ওর? নাকি লালবাতি এলাকায় অন্য কোনো উদ্দেশ্য ছিল তার? আবার সেই ছোট্ট মেয়েটা, সেই-বা কেমন ম্যাজিক ট্রিকে একের পর এক কব্জা করে নিত ঘেঁটে থাকা পরিস্থিতিগুলোকে? জাদু জানতো না কি সে? আর এ-ও তো ঠিক, প্রেম জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। প্রেম ছাড়া এতবড় জীবন বাঁচে কেমন করে? যে প্রেমে মানুষ ভাঙে তেমনি নরম তুলতুলে এক ছাঁচে নিজেকে গড়েও তোলে। এরই নাম তো জীবন। এমনি ছন্দে ছন্দে চড়াই উৎরাই বেয়ে অসংখ্য গল্প নিয়ে গড়ে উঠেছে “পরবর্তী স্টেশন রিঝপুর।” অর্থাৎ এই সেই স্টেশন, যা আমাদের সকলের হৃদয়ের খুব কাছেই। তাকে দেখা যায় না এ যেমন সত্যি কিন্তু ছুঁয়ে যাওয়া যায়, এটাও ঠিক। এই রঙিন রিঝপুর একবার শুধু পাঠকের নামার অপেক্ষায়।
Reviews
Clear filtersThere are no reviews yet.