সাতটি মেডিকেল থ্রিলার এবং দু’টি রহস্য গল্পের সমন্বয়ে সেজে উঠেছে শ্রীপর্ণার তৃতীয় পুলিশ ফাইল, “রহস্যের নবগ্রহ”। বই শুরু হয়েছে বৃদ্ধ দিবাকরবাবুর মৃত্যু দিয়ে। খেতে বসে আকস্মিক মৃত্যু হয়েছে তাঁর। কোনও বিষক্রিয়া বা আঘাতের চিহ্ন মাত্র নেই। কিন্তু, কোথাও যেন খটকা থেকে যায়। বন্ধ বাড়ির মধ্যে মৃত্যু হয় মিলনবাবুর, আকস্মিক হার্ট অ্যাটাকে। কিন্তু, প্রতিবেশী ক্রিকেটার মিতুর কোথাও যেন খটকা লাগে কিছু বিষয়ে। গঙ্গার ধারে মন্দিরের চাতালে বস্তায় পাওয়া গেল মস্তকবিহীন মৃতদেহ। কে এই স্ত্রীলোক? বৃষ্টি-বিঘ্নিত রাত্রে গয়নার দোকানের সামনে পাওয়া গেল মালিকের মৃতদেহ। মৃত্যুর সম্ভাব্য কারণ বিছের দংশন! কলকাতার রাস্তায় এমন একটা ঘটনা খুবই বিরল। হাইওয়েতে এক বাইক আরোহীর দুর্ঘটনায় মৃত্যু। এমন ঘটনা তো আকছার হচ্ছে। কিন্তু, পাশেই থাকা পেট্রোল পাম্পের এক কর্মীর বক্তব্য কিন্তু অন্যরকম। প্রখ্যাত গবেষক অধ্যাপক, এক গোপন গবেষণা চলাকালীন কোনও এক অজ্ঞাত কারণে মাঝ-রাতে বাড়ি থেকে বেরিয়ে মারা গেলেন রাস্তায়। পুলিশি তদন্তে উঠে আসে কোন তথ্য? সন্ধ্যাবেলা ওষুধের দোকানে ঘুমের ওষুধ কিনতে গিয়ে আর বাড়ি ফিরলেন না ডা: প্রিয়া। রেসিডেন্সিয়াল কমপ্লেক্সের ঢিল ছোড়া দূরত্ব থেকে কোথায় হারিয়ে গেলেন তিনি? বন্ধ বাড়ির ছাদের উপরে মরে পড়ে আছেন অধ্যাপক ইন্দ্রনীল। বাড়িতে একাই থাকেন। মৃত্যুর কারণ সায়ানাইডের বিষক্রিয়া। তবে কি আত্মহত্যা করলেন ইন্দ্রনীল?
Reviews
Clear filtersThere are no reviews yet.